গাজায় হামলার তীব্রতা বাড়াচ্ছে ইসরায়েল, প্রাণহানি ছাড়াল ৫২ হাজার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:৫৩ এএম, ৪ মে ২০২৫ রবিবার
সংগৃহীত ছবি
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় হামাস উৎখাত আর তাদের কবল থেকে জিম্মি উদ্ধারের নামে ইসরায়েলের নির্বিচার গণহত্যা চলছেই। প্রতিদিনই তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা; দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে লাশের মিছিল। নিরাপদ বলে কোনো স্থান বাকি নেই গাজাবাসীর জন্য। একদিকে আকাশ ও স্থল অভিযান, অন্যদিকে ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ; গাজা যেন সাক্ষাৎ নরক হয়ে উঠেছে তার বাসিন্দাদের জন্য।
এরই মধ্যে গাজায় সামরিক অভিযানের মাত্রা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়ে গেছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা ক্যাবিনেটে। পরিকল্পনাটি এখন ইসরায়েলের পূর্ণাঙ্গ ক্যাবিনেটে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে, যা কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এদিকে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় গাজায় আরও অন্তত ৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। এতে করে অবরুদ্ধ ভূখণ্ডটিতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৫২ হাজার ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে প্রাণহানির সংখ্যা।
রোববার (৪ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার গাজা জুড়ে ইসরায়েলি হামলায় ৩৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিন শিশুও রয়েছে।
আরেক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গত ৪৮ ঘন্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, সঙ্গে আহত হয়েছেন তিনশোর বেশি মানুষ। এর ফলে, বিগত প্রায় ১৭ মাসে দখলদার বাহিনীর হামলা-অভিযানে ১ লাখ ১৮ হাজার ৪শ'রও বেশি মানুষ আহত হয়েছে উপত্যকাটিতে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের এক হামলার প্রতিক্রিয়াস্বরূপ গাজায় ভয়াবহ এক অভিযানে নামে ইসরায়েলি বাহিনী। দীর্ঘ ১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। তারপর প্রায় দু’মাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে মার্চ মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ৬ হাজার ৩২৫ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের বর্বর এই হামলা চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি পুনরায় কার্যকর করার চেষ্টা করে যাচ্ছে মিশর এবং কাতার। তবে, ইসরায়েল ও হামাস কেউই নিজেদের মূল দাবি থেকে সরে আসেনি। কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে আসছে।
ইসরায়েল বলছে, গাজায় এখনও ৫৯ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছে এবং হামাসকে নিরস্ত্র করে ভবিষ্যতে গাজার শাসন থেকে সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া না হলে কোনও চুক্তি সম্ভব নয়। অন্যদিকে, হামাসের দাবি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার না হলে আর কোনও বন্দি বিনিময় চুক্তি হবে না।
চুক্তির বিষয়ে হামাসকে দোষারোপ করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মিশরের প্রস্তাবিত চুক্তি তারা প্রত্যাখ্যান করেনি। হামাসই বরং চুক্তি সম্পাদনের পথে বাধা তৈরি করছে।
এ অবস্থায় গাজায় সামরিক অভিযানের মাত্রা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসরায়েলি এক কর্মকর্তার বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইনেত জানিয়েছে, হামাস যতদিন জিম্মিদের ছেড়ে না দিচ্ছে, ইসরায়েল ততদিন গাজায় সামরিক অভিযানের তীব্রতা বৃদ্ধি করতে থাকবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১ মে) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, আমরা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। তবে গাজায় আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো হামাসকে পরাজিত করা।
- হাম ও উপসর্গে ৫ শিশুর প্রাণহানী
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক পতন
- রাজধানীজুড়ে মশার দাপট, ডেঙ্গু ঝুঁকিতে ডিএসসিসির ৬৩ ওয়ার্ড
- টেলিভিশনে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব পেল যারা
- যুক্তরাষ্ট্রের ভিসায় নতুন নিয়ম: যে নির্দেশনা দিলো ঢাকার দূতাবাস
- পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ তিনজন নিহত
- খেলাপি ঋণ অর্থনীতিকে প্রচণ্ড চাপে ফেলছে: ড. ফাহমিদা
- বাস-অটোভ্যান সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩
- ফ্রেঞ্চ ওপেনে ইতিহাস গড়ার পথে খয়ালিনস্কা
- অবশেষে ‘খোঁজ’ মিলল দুবাই রাজপরিবারের সাবেক পুত্রবধূর
- ঈদ-পরবর্তী স্বস্তি, তবু মাছের বাজারে আগুন
- আজ দেশের ৮ বিভাগেই বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
- আবারও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস ডুবি
- হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু
- ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু
- রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসি দাবি রাষ্ট্রপক্ষের
- যেসব জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে
- শুনানিতে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নার উদ্ভট আচরণ, পরে কান্না
- ১৪ বছরের অগাস্টিনার হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে আর্জেন্টিনা
- রামিসা ধ*র্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
- কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত
- যেসব নতুন নিয়ম দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপে
- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: ১০ বছর পর বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল
- খেলাপি ঋণ অর্থনীতিকে প্রচণ্ড চাপে ফেলছে: ড. ফাহমিদা
- ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস, দূষণ তালিকায় ১১
- পিতা-মাতার সুরক্ষা আইন: বাবা-মায়ের ভরসা নাকি কাগুজে অধিকার?
- ‘বেগম’ সম্পাদক নূরজাহান বেগমের জন্মদিন আজ
- বরিশাল জাদুঘর: অবহেলায় ঝুঁকিতে দুই শতকের ঐতিহ্য






